বিশ্বনাথের দশঘর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী এমাদ বিজয়ী

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী জুবেদুর রহমান পেয়েছেন ২হাজার ৭৮১ভোট। আর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সামছু মিয়া লয়লুছ (সতন্ত্র) ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪১ ভোট। আনারস প্রতীকে বিএনপির বিদ্রোহী আবুল হোসেন পেয়েছেন ১ হাজার ৫0৬ ভোট। আর জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১২২ ভোট।
এদিকে, উপজেলার ৮নং দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গত ভোটারদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে চলছে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর চলে গণনা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ভোটারদের সরব উপস্থিতিতে একটানা ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার সরেজমিন ১০টি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশী। আর আইনশৃঙ্কলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় শান্তিপূর্নভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিকেল ৫ টা পযন্ত কোন কেন্দ্রেই কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ও টহলে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলেছে।নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ৫ জন প্রার্থী। তারা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব জবেদুর রহমান, বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী এমাদ উদ্দিন খান ও জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মন্নান আর স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) ‘ঘোড়া’ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব সামছু মিয়া লয়লুছ এবং বিএনপির বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের (সতন্ত্র) প্রার্থী আবুল হোসেন।
এছাড়াও ইউনিয়নের ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য (মহিলা মেম্বার) পদে ১১ জন প্রতিদ্বন্ধিতা করে ৩জন এবং ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) পদে ৪৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করে ৯ জন নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে ভোটগ্রহণ করতে উপজেলা দশঘর ইউনিয়নের ১০টি কেন্দ্রের জন্য ১০ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৪৫ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ৮৫ জন পোলিং কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে ৮ জন পুলিশ ও ১৭ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নির্বাচনের দিন সকাল থেকে ভোট গনণা পর্যন্ত নিরাপত্তার কাজে মাঠে ছিলেন পুলিশের ৩টি মোবাইল টিম, ৩টি স্টাইকিং টিম, ১টি স্ট্যান্ড বাই টিম ও ওসির নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম। তাছাড়া পুলিশের পাশাপাশি ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি ও র্যাবের টহল টিম বাড়তি নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত ছিল সারাদিন।